কথা না রাখার কথা ‘– নামক কবিতার বইটি যখন ছাপা হয়ে বাজারে আসে , তখন ঠিক কবি বিদ্যুৎ অনুধাবন করতে পারেননি

[ কবি ও কবিতা *** কথা না রাখার কথা ‘– নামক কবিতার বইটি যখন ছাপা হয়ে বাজারে আসে , তখন ঠিক কবি বিদ্যুৎ অনুধাবন করতে পারেননি যে তাঁর কবিতার বইটি পাঠক মহলে ভীষণ ভাবে সারা ফেলবে । আজ্ঞে আমি এই সময়কার বিশিষ্ট ও প্রিয় কবি BIDYUT BHOWMICK এর কথা বলছি । যতদূর মনে পরে ; একজনের হাত থেকে আমি আমেরিকায় বসে কবি বিদ্যুৎ ভৌমিকের কবিতার বইটি উপহার পেয়েছিলাম । যাই হোক , সেই রেশ তো বহতা বাতাসের মতো আকাশ ও মাটিতে শুধু ছড়িয়ে যায়নি , সেটার অনুভব আমার মনকে এখনো শিহরণ দেয় *** আমার এই প্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিকের একটা বিশেষ টাটকা কবিতা আমি রূপসী বাংলা- য় পাঠালাম **** সাংবাদিক আদিত্য বসু USA ] কবি বিদ্যুৎ ভৌমিকের কবিতা // পাতাল পোকা ও প্রেম – পিরিত // চোখ কামড়ে প্রসাধন খুলতেই একক এক ছায়া সামনে এসে দাঁড়ালো । পলকেই চোখ ডুব মন কাগজ সাদা পাতায় ছড়িয়ে দিল মৌন আবেগ *** যেই- না খুলেছি চোখ ; ওমনি দর্পণে ভেসে ওঠে আমার নগ্নতা । চেনা পথে পা ফেলতেই কবিতার পাগলামি মাথা চাড়া দিল — পাতাল পোকারা তখন ঘুমন্ত ছিল / দিনরাত এইভাবে নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন চালিত যানে চলতে চলতে ক্রমাগত নিজেই মন হারিয়ে যাবার খেলায় মেতে আছি । এভাবে অতল চিন্তায় মৃদু কম্পনে ঊঠে আসে মন ভোলানো প্রেম এবং তুমি **** মধুমাস কিম্বা অন্যকোন দিন বুকের ঠিক এই খানে জ্বলে ওঠে কাম প্রবাহ । তবুও হাত এগিয়ে দিলাম ঘুমন্ত ঘুমে স্বপ্নে তোমাকে / ফুল গুলো ঝরে গেল এভাবেই এক দিন । কতকালের চেনা ছবি মনের মধ্যে চেপে বসে আছে ; অথচ প্রেম পালান দরজায় একা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তোমার আশায় চেয়ে রইলাম নির্জন সন্ধ্যায় । শেষ প্রহরে সেই তুমি আবার স্বপ্নে দেখা দিলে নগ্ন শরীর নিয়ে । //

Check Also

কবি জীবনানন্দ  দাশের  ‘বনলতা সেন’ কি তাহলে পুরুষ ছিলেন !!!

  কবি জীবনানন্দ দাশ ও তার ‘বনলতা সেন’ কবিতা বাংলা সাহিত্যে একটি বহুল আলোচিত বিষয় । তার কাব্যে কারণে-অকারণে তরু-গুল্ম-লতা-পাতা ঝোপঝাড়ের এত বর্ণনা পাওয়া যায় যে তাকে কবি না বলে একজন অকৃত্রিম বনসংরক্ষক বা ফরেষ্ট গার্ড বলে ভ্রম হতে পারে। বাংলাভাষার কোন কবির সম্ভবত এত গাছপালার নাম-ধাম জানা নেই। কবি তারই অকৃত্রিম পুরুষ বন্ধু বনলতা সেন বাবুকে নিয়ে রচিত ‘বনলতা সেন’ বাংলা সাহিত্যে একটি শ্রেষ্ঠ সমকামী কবিতা !! বহুল আলোচিত কবিতা বলেই এর ব্যাপক বিচার-বিশ্লেষণ প্রয়োজন। দীর্ঘদিন থেকে কবিতাটি একইভাবে পাঠ করা হচ্ছে। বেশীরভাগ পাঠক কবিতাটি সম্পর্কে পূর্ব-ধারণা নিয়ে কবিতাটি পাঠ করছেন। যার ফলে কবিতাটি তার বহুমাত্র্র্রিক ব্যাখা-বিশ্লেষণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।’বনলতা সেন’কে ঘিরে অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন নীচে তুলে ধরলামঃ- Øবনলতা সেন কি নারী না পুরুষ কবিতটিতে তা স্পষ্ট নয়।”অন্ধকার বিদিশার নিশার মত চুল” এবং “শ্রাবস্তীর কারুকার্যের মত মুখ” এবং “পাখীর নীড়ের মত চোখ” নারী/পুরুষ যে কারো থাকতে পারে। বরং দীঘল কেশ,কাজল-টানা চোখ এর কথা উল্লেখ থাকলে বনলতা সেন যে আসলেই একজন নারী তা নিশ্চিত হওয়া যেত। Øপুরো কবিতায় বনলতা সেন কর্তৃক কোন রমণীয় পোষাক যেমন, শাড়ীর আচল, স্তন-আবরণী উড়না/উত্তরীয় এসবের বর্ণনা নাই। এছাড়া কোনরকম প্রসাধনী/অলংকার ব্যবহারের বর্ণনা নাই। বাঙালী নারী প্রসাধন-প্রিয়,বিশেষ করে সুন্দরী নারীরা এ ব্যাপারে আরো সচেতন। বনলতা সেন পুরুষ বলেই কি এসব কবির নজরে আসেনি ? Øকবি কি সমকামী ছিলেন ? যতদূর জানা যায় কবির সাথে তার স্ত্রীর সম্পর্ক ভাল ছিল না, তাই কি গৃহত্যাগী বিবাগী কবি তার পুরুষ বন্ধু বনলতা সেন বাবু’কে অন্ধকারে আকাঙ্খা করেন ? Ø শুধু চুল,মুখ ও চোখের বর্ণনা নারী দেহের সৌন্দর্য বর্ণনার জন্য যথেষ্ট কিনা ? …

Powered by themekiller.com