ডাক এখন আকাশ ছোঁয়া ,– তিনি দুই বাংলার প্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক ।

[ কবিতার পাতা ] *** যিনি একাই ১০০ এবং যার কলমের প্রতিটা শব্দ আধ্যাত্মিক চেতনার প্রতিভূ হয়ে ওঠে , সেই কিংবদন্তী মানুষটি হলেন এই সময়কার অতি জনপ্রিয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর নাম- ডাক এখন আকাশ ছোঁয়া ,– তিনি দুই বাংলার প্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক । আজ কবিতার পাতাতে কবি বিদ্যুৎ- এর একটি অতি আধুনিক কবিতা আমরা প্রকাশ করলাম । কেমন লাগছে আপনার প্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিকের কবিতা , এটা জানালে রূপসী বাংলা নিউজ ভীষণ খুশি হবে *** সম্পাদক // উল্টো দর্পণ এবং জলজ্যান্ত মরণ // বিদ্যুৎ ভৌমিক // এই হাতে চৌদ্দ পুরুষের দলিল । ভাত ঘুম কিম্বা জটিল উপবাস ; এসব আলগা অচল সময়ের নিত্য জীবন / কাল বেলায় রাত পার হয়েছে কানকাটা অবহেলায় । নষ্ট- নষ্ট গন্ধ ঘেঁটে জিভ চাটা মন অলস মধ্যাহ্নয়ে এই ঘরে দেবতার ছবি কেটে চুন খসা দেয়ালে এঁটে দিয়েছিল *** আগাম খবর পেয়ে বাতাস ধুলো উড়িয়ে নিয়েছে লক্ষ ভাগ আবেগ । শেষ পাতে প্রসাদী ফুলের পরাগ ; সেটা চরিত্র দোষের আর একটা উল্টো চেহারা । স্বপ্ন ছিঁড়ে এগিয়ে এলো রাত পোকা ; সেও নতুন কেনা পোশাক দেখে আয়নায় নগ্ন হয়ে দাঁড়াল । এটা তো বিবেকের কামড় , হয়তবা নিজেদের পাল্টে ফেলার কৃপণ কৌশল *** হাত ধুয়ে যৌন জায়গা ছোঁয়া ; এটা অনেকটা প্রতিদিনের নিয়ম করা বিচ্ছিরি আবেগ । কথা বন্ধ , তবুও চোখ তার মৌন থাকে এভাবে প্রতি রাতে / এই জন্য মনে মনে ছুঁয়ে নেই ওর শরীরের গোপন স্থান । তীব্র দৃষ্টি ; অথবা ভাসমান শ্বাস ,– আমার হৃদয়কে চুরি করে রোজ এভাবে প্রতি রাতে । এই ভাবে বেলা পার করি রোজ । বিবেকে চাবুক মেরে দ্বিমুখী স্বপ্ন নির্ঘুমের কবিতা বলে আমাকে শেষ রাতে । এই জন্য মনে মনে প্রচণ্ড জ্বলি স্মৃতি ছুট ধু ধু বহতা বেলায় / এর পর অন্য অহংকারে ডোবে চরণতলের মাটি //

Check Also

কবি জীবনানন্দ  দাশের  ‘বনলতা সেন’ কি তাহলে পুরুষ ছিলেন !!!

  কবি জীবনানন্দ দাশ ও তার ‘বনলতা সেন’ কবিতা বাংলা সাহিত্যে একটি বহুল আলোচিত বিষয় । তার কাব্যে কারণে-অকারণে তরু-গুল্ম-লতা-পাতা ঝোপঝাড়ের এত বর্ণনা পাওয়া যায় যে তাকে কবি না বলে একজন অকৃত্রিম বনসংরক্ষক বা ফরেষ্ট গার্ড বলে ভ্রম হতে পারে। বাংলাভাষার কোন কবির সম্ভবত এত গাছপালার নাম-ধাম জানা নেই। কবি তারই অকৃত্রিম পুরুষ বন্ধু বনলতা সেন বাবুকে নিয়ে রচিত ‘বনলতা সেন’ বাংলা সাহিত্যে একটি শ্রেষ্ঠ সমকামী কবিতা !! বহুল আলোচিত কবিতা বলেই এর ব্যাপক বিচার-বিশ্লেষণ প্রয়োজন। দীর্ঘদিন থেকে কবিতাটি একইভাবে পাঠ করা হচ্ছে। বেশীরভাগ পাঠক কবিতাটি সম্পর্কে পূর্ব-ধারণা নিয়ে কবিতাটি পাঠ করছেন। যার ফলে কবিতাটি তার বহুমাত্র্র্রিক ব্যাখা-বিশ্লেষণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।’বনলতা সেন’কে ঘিরে অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন নীচে তুলে ধরলামঃ- Øবনলতা সেন কি নারী না পুরুষ কবিতটিতে তা স্পষ্ট নয়।”অন্ধকার বিদিশার নিশার মত চুল” এবং “শ্রাবস্তীর কারুকার্যের মত মুখ” এবং “পাখীর নীড়ের মত চোখ” নারী/পুরুষ যে কারো থাকতে পারে। বরং দীঘল কেশ,কাজল-টানা চোখ এর কথা উল্লেখ থাকলে বনলতা সেন যে আসলেই একজন নারী তা নিশ্চিত হওয়া যেত। Øপুরো কবিতায় বনলতা সেন কর্তৃক কোন রমণীয় পোষাক যেমন, শাড়ীর আচল, স্তন-আবরণী উড়না/উত্তরীয় এসবের বর্ণনা নাই। এছাড়া কোনরকম প্রসাধনী/অলংকার ব্যবহারের বর্ণনা নাই। বাঙালী নারী প্রসাধন-প্রিয়,বিশেষ করে সুন্দরী নারীরা এ ব্যাপারে আরো সচেতন। বনলতা সেন পুরুষ বলেই কি এসব কবির নজরে আসেনি ? Øকবি কি সমকামী ছিলেন ? যতদূর জানা যায় কবির সাথে তার স্ত্রীর সম্পর্ক ভাল ছিল না, তাই কি গৃহত্যাগী বিবাগী কবি তার পুরুষ বন্ধু বনলতা সেন বাবু’কে অন্ধকারে আকাঙ্খা করেন ? Ø শুধু চুল,মুখ ও চোখের বর্ণনা নারী দেহের সৌন্দর্য বর্ণনার জন্য যথেষ্ট কিনা ? …

Powered by themekiller.com