প্রকল্পের শুরুতেই বড় ঘাপলা

সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার’ প্রকল্পের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, গণখাতে ক্রয় আইন (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট বা পিপিএ) এবং গণখাতে ক্রয় বিধি (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস বা পিপিআর) লংঘন করে প্রকল্পের কাজ সর্বোচ্চ দরে দেয়ার সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে।

বিধান অনুযায়ী, দরপত্র আহ্বানের আগে প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণের বাধ্যবাধকতা থাকলেও সেটি অনুসরণ করা হয়নি। এমনকি প্রকল্প সমাপ্তির সময়সীমা ৩৩ মাস নির্ধারিত থাকলেও নিয়মবহির্ভূতভাবে তা বাড়িয়ে ৩৯ মাস করা হয়েছে। এতে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ১৪৭৩ কোটি টাকা।

শুধু তাই নয়, ঠিকাদার নিয়োগে ‘উন্মুক্ত পদ্ধতি’তে প্রাকযোগ্যতা যাচাই করে চারটি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করা হয়। পরবর্তীকালে এ চারটি থেকে একটিকে বাছাই করতে ‘এক ধাপ দুই খাম’ পদ্ধতিতে পুনরায় কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব নিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। পিপিআরের বিধান অনুযায়ী কোনো দরপত্রে দুই পদ্ধতি অনুসরণের কোনো সুযোগ নেই। এমন পরিস্থিতিতে ‘দরপত্র আহ্বান ও মূল্যায়ন’ প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হয়নি- এ মর্মে লিখিতভাবে দুই দফা মতামত দিয়েছে ক্রয় আইন ও বিধির ব্যাখ্যাদানকারী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ)। এরপরও এটি অনুমোদনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারের কতিপয় ব্যক্তিরা অনৈতিক সুবিধা বাগিয়ে নিতে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দিতেই এ সুপারিশ করা হয়েছে বলে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করা হয়েছে।

Check Also

ডুমিনির পরিবর্তে একাদশে ফিরছেন মোস্তাফিজ

চলতি মৌসুমের শুরুটা ভালো হয়নি মুম্বাইয়ের। টানা হারে এক সময় মনে হচ্ছিল হয়তো গ্রুপ পর্ব …

Powered by themekiller.com