কবিতার আসর

কবি- রিতুনুর।

পৌষের শীতে হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডায় কাঁপছে সারা দেশ লেপ কম্বল, কাঁথার ভিতরে সময় কাটে বেশ। গরীব দুস্থ অসহায় মানুষগুলো, শীতের কষ্টে কাঁদে এসব কথা মনে হলে হৃদয়ে ব্যথিত লাগে। বস্তিবাসী তাবুর নিচে ছিঁড়া কাগজ ঝরা পাতা দিয়ে আগুন জ্বালিয় রাখে। কোটিপতির ঘরে এমন শীতে আনন্দে বারবি কিউ কাবাব শাহী পাওরুটি খেয়ে আনন্দ উল্লাসে মাতে খেজুররসে পিঠা দিয়ে মুখশুদ্ধি রাখে শীতোষ্ণ …

Read More »

কবি জীবনানন্দ  দাশের  ‘বনলতা সেন’ কি তাহলে পুরুষ ছিলেন !!!

  কবি জীবনানন্দ দাশ ও তার ‘বনলতা সেন’ কবিতা বাংলা সাহিত্যে একটি বহুল আলোচিত বিষয় । তার কাব্যে কারণে-অকারণে তরু-গুল্ম-লতা-পাতা ঝোপঝাড়ের এত বর্ণনা পাওয়া যায় যে তাকে কবি না বলে একজন অকৃত্রিম বনসংরক্ষক বা ফরেষ্ট গার্ড বলে ভ্রম হতে পারে। বাংলাভাষার কোন কবির সম্ভবত এত গাছপালার নাম-ধাম জানা নেই। কবি তারই অকৃত্রিম পুরুষ বন্ধু বনলতা সেন বাবুকে নিয়ে রচিত ‘বনলতা সেন’ বাংলা সাহিত্যে একটি শ্রেষ্ঠ সমকামী কবিতা !! বহুল আলোচিত কবিতা বলেই এর ব্যাপক বিচার-বিশ্লেষণ প্রয়োজন। দীর্ঘদিন থেকে কবিতাটি একইভাবে পাঠ করা হচ্ছে। বেশীরভাগ পাঠক কবিতাটি সম্পর্কে পূর্ব-ধারণা নিয়ে কবিতাটি পাঠ করছেন। যার ফলে কবিতাটি তার বহুমাত্র্র্রিক ব্যাখা-বিশ্লেষণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।’বনলতা সেন’কে ঘিরে অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন নীচে তুলে ধরলামঃ- Øবনলতা সেন কি নারী না পুরুষ কবিতটিতে তা স্পষ্ট নয়।”অন্ধকার বিদিশার নিশার মত চুল” এবং “শ্রাবস্তীর কারুকার্যের মত মুখ” এবং “পাখীর নীড়ের মত চোখ” নারী/পুরুষ যে কারো থাকতে পারে। বরং দীঘল কেশ,কাজল-টানা চোখ এর কথা উল্লেখ থাকলে বনলতা সেন যে আসলেই একজন নারী তা নিশ্চিত হওয়া যেত। Øপুরো কবিতায় বনলতা সেন কর্তৃক কোন রমণীয় পোষাক যেমন, শাড়ীর আচল, স্তন-আবরণী উড়না/উত্তরীয় এসবের বর্ণনা নাই। এছাড়া কোনরকম প্রসাধনী/অলংকার ব্যবহারের বর্ণনা নাই। বাঙালী নারী প্রসাধন-প্রিয়,বিশেষ করে সুন্দরী নারীরা এ ব্যাপারে আরো সচেতন। বনলতা সেন পুরুষ বলেই কি এসব কবির নজরে আসেনি ? Øকবি কি সমকামী ছিলেন ? যতদূর জানা যায় কবির সাথে তার স্ত্রীর সম্পর্ক ভাল ছিল না, তাই কি গৃহত্যাগী বিবাগী কবি তার পুরুষ বন্ধু বনলতা সেন বাবু’কে অন্ধকারে আকাঙ্খা করেন ? Ø শুধু চুল,মুখ ও চোখের বর্ণনা নারী দেহের সৌন্দর্য বর্ণনার জন্য যথেষ্ট কিনা ? নারী দেহের আকর্ষণীয় প্রত্যঙ্গ যেমন, বিল্ব স্তন, পদ্মযোনী, গুরু নিতম্ব এসব বর্ণনার অনুপস্থিতি কি তার নারী-সৌন্দর্যের ঘাটতি কিংবা বনলতা সেন বাবু একজন  পুরুষ একথার ইঙ্গিত দেয় না? Øপাখীর নীড় বলতে আমরা দেখি, কুড়িয়ে আনা খড়কুটোর নিশ্চল নিষ্প্রাণ বিবর্ণ স্তূপ।কাজেই পাখীর নীড়ের মত চোখ বলতে চোখে-ছানিপড়া ভাবলেশহীন বৃদ্ধার চোখের কথাই মনে আসে। Ø “অন্ধকার বিদিশার নিশার মত চুল” এবং “শ্রাবস্তীর কারুকার্যের মত মুখ” সার্বজনীন উপমা কিনা? [সোনালী চুল ইংরেজদের প্রিয় এবং সরল মুখশ্রী অনেকের পছন্দ] Ø “অন্ধকার বিদিশার নিশা” দ্বারা নিষ্প্রদীপ বিদিশা নগরীকে বুঝায় না। কাজেই ঘন-কালো চুলের উপমা হিসেবে এটা সঠিক নয়। Ø অন্ধকারে বনলতার সাথে সাক্ষাৎ করে বনলতার সৌন্দর্য সম্পূর্ণ অবলোকন করা সম্ভব কিনা? সেজন্যই কি বনলতার চুল, মুখ ও চোখের বর্ণনা ছাড়া অ্ন্য কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বর্ণনা অনুপস্থিত। Ø বনলতা সেনের প্রতি কবির প্রেম কি একতরফা? বনলতা কি শুধুই সৌন্দর্যময়ী না প্রেমময়ী? বনলতা সেন চরিত্রে প্রেম ও সৌন্দর্যের অসম সংমিশ্রণ পরিলক্ষিত হয়। Ø জীবনানন্দের প্রতি বনলতা সেনের প্রকৃতই প্রেম নাকি একজন চরম হতাশাগ্রস্থ পুরুষের প্রতি সহানুভূতি? Ø কবি বনলতা সেনকে কেন অন্ধকারে আকাঙ্খা করেন?  অন্ধকারে কবির উপস্থিতি টের পেয়ে ও বনলতা কেন প্রদীপ জ্বালেননি ? অন্ধকারের সাক্ষাৎ পর্বটি প্রচলিত নৈতিকতা-বিরোধী কিনা? Ø বনলতা কি বিবাহিতা না কুমারী? কবির সাথে এই সম্পর্ক কি পরকীয়া? Ø কবিকে দু’দন্ড শান্তি দিয়েছিলেন বনলতা সেন, এই শান্তি কি শুধুই মানসিক নাকি দৈহিক যৌন তৃপ্তি? Ø নাটোরের বনলতা সেন কবিকে দু’দন্ড শান্তি দিয়েছিলেন,তবে কবি আর কোথায় শান্তি পেতে ব্যর্থ হয়েছেন? Ø হাজার বছরের ক্লান্ত কবি মাত্র দুদন্ড শান্তি পাওয়ার কথা অতৃপ্তির সাথে অভিমান-ভরে জানিয়েছেন। কবির এই অপূর্ণ প্রাপ্তির বেদনা আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে। কবিতাটিতে প্রাপ্তির চেয়ে প্রত্যাশাই প্রধান্য পেয়েছে। Ø নাটোরের বনলতা সেন এর সাথে কবির কি নাটোরেই দেখা হয়েছিল নাকি অন্য কোথাও… Ø কবি যে সময়ের নাটোরের বনলতা সেন এর কথা বলেছেন সে সময়ে নাটোরে সেন বংশীয়া সম্ভ্রান্ত সুন্দরী রমণী বসবাস করতেন বলে জানা যায় না। Ø “বনলতা সেন” কবিতা জুড়ে একজন পর্যটকের বর্ণনা প্রাধান্য পেয়েছে নাকি একজন প্রেমিকের উচ্ছাস প্রাধান্য পেয়েছে? Ø কবি কি শুধুই ভ্রমণ-ক্লান্ত ছিলেন নাকি দেহে-মনে অতৃপ্ত ছিলেন? Ø বনলতার সাথে কবির এই মিলন দুটি অসমবয়সী নর-নারীর মিলন কিনা,কারণ দীর্ঘ পথচলার শেষে কবি বনলতা সেনের সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন। আর সেজন্যই কি অসমবয়সী কবিকে দু’দন্ড শান্তি দিয়েই বনলতা সেন আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন? …

Read More »

ডাক এখন আকাশ ছোঁয়া ,– তিনি দুই বাংলার প্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক ।

[ কবিতার পাতা ] *** যিনি একাই ১০০ এবং যার কলমের প্রতিটা শব্দ আধ্যাত্মিক চেতনার প্রতিভূ হয়ে ওঠে , সেই কিংবদন্তী মানুষটি হলেন এই সময়কার অতি জনপ্রিয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর নাম- ডাক এখন আকাশ ছোঁয়া ,– তিনি দুই বাংলার প্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক । আজ কবিতার পাতাতে কবি বিদ্যুৎ- এর একটি অতি আধুনিক কবিতা আমরা প্রকাশ করলাম । কেমন …

Read More »

“সুলতা বনাম বনলতা সেন”    একটি তুলনামূলক কাব্য বিশ্লেষণ       –ডঃ সৈয়দ এস আর কাশফি

  কবি শফিকুল ইসলামের কবিতায় তার কাব্য প্রেয়সী সুলতার যে নান্দনিক ও শৈল্পিক সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায় তা সামগ্রিক ও কাব্যময়। কবি জীবনানন্দ দাসের বনলতা সেনের মতো কোন খন্ড চিত্রকল্প নহে। বর্ণনা এখানে সফল, কাব্যময় এবং জীবন্ত। জীবনানন্দ দাস  বনলতা সেনের মুখশ্রী ও চুলে কাব্য সৌন্দর্য্য খোঁজে ফিরেছেন। যা নিতান্তই খন্ড চিত্র। যেমন তিনি বলেছেনঃ– “চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য”… এখানে বনলতা সেনের সফল সৌন্দর্য বর্ণনা আমরা খোঁজে পাইনা। প্রায় অন্ধকারের মত তার চুল দেখার ঝাপসা আকুতি ও কাল্পনিক শ্রাবস্তীর মতো তার মুখের আদল। অন্যপক্ষে সুলতা প্রসঙ্গে কবি শফিকুল ইসলামের কাব্যময় উচ্চারণঃ– “সুলতা, তুমি আমার বাগানের মধ্যে সদ্য প্রস্ফুটিত তাজা গোলাপ দেখার অনুভূতি। …………………………………. সুলতা তুমি আমার আধার আকাশে একটি চাঁদের মত- একটি নিটোল নিভাজ স্বপ্নœ, একটি সজীব কবিতা, চির ঝংকৃত সুরে একটি ছন্দ দ্যোতনা, শিল্পীর আকা যেন একটি জীবন্ত ছবি।” [কবিতাঃ সুলতা তুমি আমার] (শ্রাবণ দিনের কাব্য) পাঠক মাত্রই জানেন সৌন্দর্য বর্ণনায় তাজা প্রস্ফুটিত গোলাপের উপমা একটি সফল উপমা। তাজা গোলাপ দেখার মতো রূপময় অনুভূতি পৃথিবীর আর কোন সুন্দর সৃষ্টিতে খুঁজে পাবেন না। একমাত্র প্রেয়সীর দৈহিক সৌন্দর্য ছাড়া। এখানে কবি শফিকুলের বর্ণনা তার কাব্য প্রেয়সী প্রস্ফুটিত তাজা গোলাপ দেখার অনুভূতি, যা সুন্দরতম সুন্দর। তার মনে কাব্য প্রেয়সী সুলতা তুলনাহীনা অপরূপা ও সৌন্দর্যময়তায় ভরপুর। কবির দৃষ্টিতে সুলতা তেমনি এক সুন্দরী প্রিয়তমা। জীবনানন্দ দাসের বনলতা সেনে সে রকম কোন জোরালো বর্ণনা আমরা খোঁজে পাই না। জীবনানন্দ দাস বনলতা সেনের মুখে দেখেছেন শ্রাবস্তীর কারুকার্য যা কাল্পনিক ও অনেকটাই পুরনো। অন্যপক্ষে কবি শফিকুল ইসলাম সুলতার মুখে এমন এক জ্যোতি  দেখেছেন যা প্রাণের কাছাকাছি, ভালবাসা মাখা ও কালোত্তীর্ণ। সে জন্যেই সে জ্যোতির অনুপস্থিতিতে কবি হয়েছেন আর্ত, বিমর্ষ ও ক্লান্ত। জীবনানন্দ দাস বনলতা সেনের মুখশ্রী দেখে ক্ষণিকের জন্য আমোদিত হলেও তা ছিল নিতান্তই ক্ষণিকের ভালবাসা। ভালবাসা নহে এবং প্রেম ও নহে। তাই সে মুখশ্রী দেখতে না পেলে কবির হৃদয়ের কি আকুতি বনলতা সেনে তা আমরা পাই না। কিন্তু কবি শফিকুল ইসলামের সফল কাব্য সুরঃ– “সুলতা একদিন যে মুখে এক অপার্থিব আলো দেখেছিলাম- যে আলোর মোহে পতঙ্গ আগুনের উত্তাপ ভুলে গিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে প্রাণ দেয়। সুলতা সেই মুখে আজ এ কোন কালো মেঘের ছায়া।” [কবিতা : সুলতা একদিন যে মুখে] (শ্রাবণ দিনের কাব্য) হেলেন বিশ্বের সুন্দরী শ্রেষ্ঠা। তার সৌন্দর্য দেখে ট্রয় নগরীর বৃদ্ধরাও অভিভুত হয়ে যেত। সে নারী মাত্র নয়। সে অমর দেবীর অবিকল প্রতিমূর্তি।। হেলেন কাম সৌন্দর্য ও ঔজ্জ্বল্যের প্রতীক। অন্যদিকে কবি শফিকুল ইসলামের সুলতা এক অপরূপা নারী মূর্তির প্রতীক যিনি দেবী না হয়েও কবির মনে দেবীর আসনে অধিষ্ঠিতা। রক্ত মাংসের নারী হয়েও পূঁজার বিগ্রহ রূপে কবির মনকে করেছে আন্দোলিত। দিয়েছে প্রশান্তির অনাবিল ছোঁয়া। ক্ষণকালের জন্য নহে অনন্তকালের জন্য। তাই কবির সফল উচ্চারণঃ– “তোমাকে বাদ দিলে ভালো লাগার মত এই পৃথিবীতে আমার আর কিছুই নেই”। [কবিতা: সুলতা এই জীবনে] (তবুও বৃষ্টি আসুক) বনলতা সেনে কবি জীবনানন্দ দাস বনলতা সেনের অভাবে বিরহ যন্ত্রণার কোন সুর তোলেন নি। তার মানে বনলতা সেনকে কতটা ভালবাসেন বুঝা যায় না যদি ও আঁধারের সঙ্গিনী হিসেবে তার মনে পাওয়ার আকাঙ্খা অত্যন্ত প্রবল। এটাকে প্রেমের আকুতি বলা যায় না কিংবা ভালবাসার প্রার্থনাও বলা যায় না। এখানে কবি জীবনানন্দ দাসের চরম ব্যর্থতা। কবি শফিকুল ইসলাম প্রেমের এক সফল কবি। তিনি অঝোর শ্রাবণ ধারায়, রিমঝিম বৃষ্টিতে, আলো আঁধারের কাব্যময় খেলায় ও চেতনার চন্দ্রিমায় তার কাব্য প্রেয়সী সুলতাকেই কি চান। তার কালোত্তীর্ণ সব কবিতাগুলোর পরতে পরতে, ছন্দে, উপমায় ও কাব্য অলংকারে সুলতার অপরূপ রূপের বর্ণনা প্রগাঢ় ও চিত্রময়। কবির মন সুলতাকে জগতের সকল উপমার উর্ধ্বে অন্য এক অনন্য উপমায় খুঁজে ফিরছেন। সেই জন্য দৃঢ় উচ্চারণঃ– “তোমার উপমা শুধু তুমি তুমি আছ সব সৌন্দর্যের মাঝখানে সৌন্দর্যের রাণী হয়ে সগৌরবে মহিয়সী।” [কবিতা : সুলতা যখন তোমায় দেখি] ( শ্রাবণ দিনের কাব্য) কবি পুর্ণেন্দু পত্রী তার কাব্য-প্রেয়সী নন্দিনীর রূপে বিমোহিত হয়ে যেমন বলেছিলেনঃ– “কেন্দ্রে আছ তোমাকেই সূর্যরশ্মি আছে ঘিরে, …

Read More »

সেই রূপকার হলেন আন্তর্জাতিক মানের কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক ।

[ কবিতার পাতা ] *** যার কলমে এক একটা শব্দই কবিতার আদল তৈরি হয় ম্যাজিকের মত , সেই রূপকার হলেন আন্তর্জাতিক মানের কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক । সৃষ্টির ভেতর জীবন বোধের সূত্র পাওয়া যায় কবি বিদ্যুৎ এর বেশির ভাগ কবিতায় । এক কথায় অসম । খুব একটা খাম- খেয়েলী না হলেও , ভেতরে- গভীরে তিনি আকাশ পাখি হতে ভালোবাসেন । দিক …

Read More »

আন্তর্জাতিক মানের জনপ্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিকের এই সময়ের মন নাড়িয়ে দেবার মতো একটি সৃষ্টিশীল ধ্রুপদী কবিতা

[ কবিতার পাতা ] প্রতিনিয়ত যার কলম কবিতায় কথা বলে , সেই আন্তর্জাতিক মানের জনপ্রিয় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিকের এই সময়ের মন নাড়িয়ে দেবার মতো একটি সৃষ্টিশীল ধ্রুপদী কবিতা– পট । কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক তাঁর কলমকে ব্যাবহার করেন একেবারে সহজ শৈলীতে , অথচ সেই লেখার ভিতরে- গভীরে অন্য কথা বলে । অর্থাৎ দর্শন ধর্মী পট নির্মাণ হয় মনের অতল থেকে । …

Read More »

যার কবিতায় আবিষ্ট হয়ে পড়েন বাংলাদেশের পাঠক সমাজ , সেই মানুষটি হলেন রূপসী বাংলার প্রিয়জন কবি বিদ্যুৎ ।

[ যার কবিতায় আবিষ্ট হয়ে পড়েন বাংলাদেশের পাঠক সমাজ , সেই মানুষটি হলেন রূপসী বাংলার প্রিয়জন কবি বিদ্যুৎ । YES কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক । যাকে নিয়ে অনেক লেখা প্রচুর আলোচনা এবং নানান বিতর্ক । এক কথায় কবি বিদ্যুৎ ভৌমিক এখন আমাদের প্রাণের ও মননের আদরের কবি । আজ তাঁর একটি বিশেষ কাব্য পট অর্থাৎ কবিতা নিবেদন করছি । *** সম্পাদক– …

Read More »

কথা না রাখার কথা ‘– নামক কবিতার বইটি যখন ছাপা হয়ে বাজারে আসে , তখন ঠিক কবি বিদ্যুৎ অনুধাবন করতে পারেননি

[ কবি ও কবিতা *** কথা না রাখার কথা ‘– নামক কবিতার বইটি যখন ছাপা হয়ে বাজারে আসে , তখন ঠিক কবি বিদ্যুৎ অনুধাবন করতে পারেননি যে তাঁর কবিতার বইটি পাঠক মহলে ভীষণ ভাবে সারা ফেলবে । আজ্ঞে আমি এই সময়কার বিশিষ্ট ও প্রিয় কবি BIDYUT BHOWMICK এর কথা বলছি । যতদূর মনে পরে ; একজনের হাত থেকে আমি আমেরিকায় …

Read More »

কে এত ভালবাসবে -ইবনে মিজান কোয়েল

যখন এ হৃদয় স্পন্দিত হয়- প্রতিটি স্পন্দনে তোমায় মনে পড়ে; সেই পথের ছবি এখনো ভেসে ওঠে আঁখিপাতে, আলতা মাখা পায়ে যে পথে গিয়েছো হেঁটে।। প্রতি নি:শ্বাসে তোমার কথাই মনে পড়ে বাতাস হয়ে সারাক্ষনই দাও আমায় ছুঁয়ে; দৃষ্টির সীমানা জুড়ে দেখি শুধু তোমাকে প্রতিরাতের স্বপ্নে ভালবাসি তোমাকে।। আমার হাসি-খুশি-কান্না সবই তুমি তোমায় ছাড়া নি:স্বঙ্গ – একা আমি; যখন আমার সামনে থাকবে …

Read More »

তাগুতেরা সাবধান ইবনে মিজান কোয়েল

বিখ্যাত কিংবা নেতা হতে আসিনি, এসেছি অধিকার আদায়ের জন্য; হতাশার অন্ধকূপের বন্দিশালা থেকে ১৮কোটি মানুষকে মুক্ত করতে। আমি এসেছি অন্যায়ের শ্বাসরোধ করে, অন্যায়কারীকে বিচারের শূলবিদ্ধ করতে; মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা তথাকথিত জননেতার মুখোশ খুলে দিতে। ঘুমন্ত মানুষগুলোকে জাগিয়ে তুলে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাতে আমার আগমন; বাগানের ফুল গুলো ঝরে যাচ্ছে অকাতর আর একটি ফুলকেও অপমানিত হতে হবেনা ফুলগুলোর সৌন্দর্য অমলিন …

Read More »

Powered by themekiller.com